![]() |
| Writer |
I left Dhaka for
Khagrachhari on 3 December 2017.
From Dhaka to
Khagrachhari was definitely a long journey. But having lunch in Khagrachhari
Parjatan Motel Restaurant at about 4 pm after such a long journey was really a different
type of experience.
The next day has
been spent on the way to and from Sajek.
Sajek is a place of not to see many many things but to enjoy a lot the beauty of hilly nature.
As a nature lover I thought I haven't spared even a single moment to enjoy the scenic beauty of the nature.
Sajek is a place of not to see many many things but to enjoy a lot the beauty of hilly nature.
As a nature lover I thought I haven't spared even a single moment to enjoy the scenic beauty of the nature.
In addition to
enjoying the beautiful nature what I observed was life and life style of the
people of this area. Life is life.
There should not
be difference between two lives especially human lives.
And I 've not seen any difference even when I compared my life with that of them.
And I 've not seen any difference even when I compared my life with that of them.
To explain in
brief the life style it only can be said they work hard from dawn to dusk, they
are dependent on no one else but themselves.
They cultivate and produce whatever possible in their hilly lands and sell in the nearby markets.
They cultivate and produce whatever possible in their hilly lands and sell in the nearby markets.
Their daily life
is real explanation of what the struggle of life is.
And in the forefront of this struggle are women.
Women will be found everywhere in all works from cooking in the kitchen to harvest crops in the field.
And in the forefront of this struggle are women.
Women will be found everywhere in all works from cooking in the kitchen to harvest crops in the field.
All the way from
Khagrachhari to Sajek I saw in different places like Dighinala, Bagaichhari a
number of students most of them are girls heading to their schools and
colleges.
Some other day I met Nipa Chakma and Shipla Marma in a certain Hospital of which they are newly appointed young doctors and they are from this part of the country.
Some other day I met Nipa Chakma and Shipla Marma in a certain Hospital of which they are newly appointed young doctors and they are from this part of the country.
I remembered two
or three years ago when I was in this areas one of my few friends here told me
that the common people are aware of especially education. They especially women
are very much interested and even ready to sacrifice a lot to get their
children highly educated.
This is what
people from other parts of the country will see a different picture meaning
while the mothers are busy with cultivating or harvesting crops in the sloppy
lands or fetching and bringing water from deep down natural source their
daughters are in schools, colleges or universities or at home busy with
studying. ------------------
K C Milan
Kutupalong Bazaar, Ukhiya, Cox's Bazaar, Bangladesh
07 December 2017
-----------------
আমি ২০১৭ সালের ০৩ ডিসেম্বর ঢাকা থেকে খাগড়াছড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হলাম।
বাংলাদেশের পার্বত্য এলাকার তিনটি জেলা শহরের মধ্যে খাগড়াছড়ি হচ্ছে একটি।
ঢাকা থেকে খাগড়াছড়ি পর্যন্ত নিসন্দেহে একটি দীর্ঘ পথ।
কিন্তু এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে বিকেল সাড়ে চারটার দিকে পর্যটন মোটেলে দুপুরের খাবার খাওয়া অবশ্যই একটা ভিন্ন রকমের অভিজ্ঞতা।
পরের দিন অবশ্য সাজেকে যাওয়া আসার মধ্য দিয়েই কেটে গেছে।
সাজেক অনেক কিছু দেখবার মত কোন জায়গা নয়। তবে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য প্রাণ ভরে উপভোগ করবার মত একটি অপূর্ব জায়গা।
একজন প্রকৃতি প্রেমিক হিসেবে আমার মনে হয় এই সৌন্দর্যময় লীলাভূমির অপূর্ব সৌন্দর্য আমি প্রতিটি মূহুর্তেই উপভোগ করেছি।
প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করার পাশাপাশি যে বিষয়টি আমি পর্যবেক্ষণ করেছি তা হচ্ছে এখানকার মানুষদের জীবন ও জীবিকা।
জীবন জীবনই।
জীবনের মধ্যে বিশেষকরে মানুষের জীবনের মধ্যে কোন পার্থক্য থাকা উচিৎ নয়। এবং আমি যখন আমার নিজের জীবনের সাথে ওদের জীবন তুলনা করেছি তখনও কোন পার্থক্য খুঁজে পাইনি।
তবে যে পার্থক্য আমি দেখেছি তা হচ্ছে জীবিকা।
তাদের জীবিকা সম্পর্কে খুব সং ক্ষেপে গেলে শুধু এটুকুই বলা যায় যে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তারা কঠোর পরিশ্রম করে। নিজেদের ছাড়া অন্য কারও উপর তারা নির্ভর করে না। পাহাড়ী জমিতে যা কিছু সম্ভব তারা তাই চাষাবাদ করে এবং উৎপাদিত ফসল কাছের হাটে বাজারে বিক্রি করে।
জীবন সংগ্রাম যে কি তা তাদের দৈনন্দিন জীবন থেকে স্পষ্ট বোঝা যায়। আর এই জীবন সংগ্রামের অগ্রণী ভূমিকায় রয়েছে সেখানকার নারীরা।
রান্না ঘরে রান্না করা থেকে শুরু করে ক্ষেতে - খামারে, মাঠে - ময়দানে সব ধরণের কাজে প্রথমেই যাদের দেখা যায় তারাই হচ্ছেন এখানকার নারীরা।
খাগড়াছড়ি থেকে সাজেক যাবার পথে বিভিন্ন জায়গায় যেমন বাঘাইছড়ি, দিঘিনালায় স্কুল বা কলেজ পড়ুয়া অসংখ্য ছাত্র ছাত্রীদের দেখতে পেয়েছি তবে তাদের মধ্যে মেয়েদের সংখ্যাই ছিল অধিক।
অন্য কোন এক দিন বিশেষ এক হাসপাতালে সদ্য নিয়োগ প্রাপ্ত যুব বয়সের দু'জন ডাক্তার নিপা চাকমা ও শিপলা মারমার দেখা পেয়েছিলাম। ওরা এই এলাকারই মেয়ে।
আমার মনে পড়েছিল দুই অথবা তিন বছর আগে আমি যখন এই এলাকাতে ছিলাম তখন এখানকার গুটিকতক বন্ধুদের একজন আমাকে বলেছিল এখানকার সাধারণ মানুষেরা বিশেষকরে শিক্ষা সম্পর্কে আগের তুলনায় এখন অনেক বেশি সচেতন। বিশেষকরে মায়েরা তাদের ছেলে মেয়েদের উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে খুবই আগ্রহী এবং এজন্য যতটা ত্যাগ স্বীকার করা প্রয়োজন তার জন্য সব সময় প্রস্তুত।
এ কারণেই দেশের অন্যান্য অঞ্চল থেকে আসা মানুষের চোখে এখন এখানকার একটি ভিন্ন চিত্র ফুটে উঠবে। অর্থাৎ মায়েরা যখন ক্ষেতে খামারে চাষাবাদে অথবা পাহাড়ের তলদেশের প্রাকৃতিক কোন উৎস থেকে জল সংগ্রহে ব্যস্ত থাকে তখন তাদের ছেলে মেয়েরা স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বা বাড়ি ঘরে লেখা পড়ায় ব্যস্ত সময় পার করে।
---------------------
কে সি মিলান
কুতুপালং বাজার, উখিয়া, কক্সবাজার, বাংলাদেশ
০৭ ডিসেম্বর ২০১৭
<><><><><><>
বাংলাদেশের পার্বত্য এলাকার তিনটি জেলা শহরের মধ্যে খাগড়াছড়ি হচ্ছে একটি।
ঢাকা থেকে খাগড়াছড়ি পর্যন্ত নিসন্দেহে একটি দীর্ঘ পথ।
কিন্তু এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে বিকেল সাড়ে চারটার দিকে পর্যটন মোটেলে দুপুরের খাবার খাওয়া অবশ্যই একটা ভিন্ন রকমের অভিজ্ঞতা।
পরের দিন অবশ্য সাজেকে যাওয়া আসার মধ্য দিয়েই কেটে গেছে।
সাজেক অনেক কিছু দেখবার মত কোন জায়গা নয়। তবে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য প্রাণ ভরে উপভোগ করবার মত একটি অপূর্ব জায়গা।
একজন প্রকৃতি প্রেমিক হিসেবে আমার মনে হয় এই সৌন্দর্যময় লীলাভূমির অপূর্ব সৌন্দর্য আমি প্রতিটি মূহুর্তেই উপভোগ করেছি।
প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করার পাশাপাশি যে বিষয়টি আমি পর্যবেক্ষণ করেছি তা হচ্ছে এখানকার মানুষদের জীবন ও জীবিকা।
জীবন জীবনই।
জীবনের মধ্যে বিশেষকরে মানুষের জীবনের মধ্যে কোন পার্থক্য থাকা উচিৎ নয়। এবং আমি যখন আমার নিজের জীবনের সাথে ওদের জীবন তুলনা করেছি তখনও কোন পার্থক্য খুঁজে পাইনি।
তবে যে পার্থক্য আমি দেখেছি তা হচ্ছে জীবিকা।
তাদের জীবিকা সম্পর্কে খুব সং ক্ষেপে গেলে শুধু এটুকুই বলা যায় যে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তারা কঠোর পরিশ্রম করে। নিজেদের ছাড়া অন্য কারও উপর তারা নির্ভর করে না। পাহাড়ী জমিতে যা কিছু সম্ভব তারা তাই চাষাবাদ করে এবং উৎপাদিত ফসল কাছের হাটে বাজারে বিক্রি করে।
জীবন সংগ্রাম যে কি তা তাদের দৈনন্দিন জীবন থেকে স্পষ্ট বোঝা যায়। আর এই জীবন সংগ্রামের অগ্রণী ভূমিকায় রয়েছে সেখানকার নারীরা।
রান্না ঘরে রান্না করা থেকে শুরু করে ক্ষেতে - খামারে, মাঠে - ময়দানে সব ধরণের কাজে প্রথমেই যাদের দেখা যায় তারাই হচ্ছেন এখানকার নারীরা।
খাগড়াছড়ি থেকে সাজেক যাবার পথে বিভিন্ন জায়গায় যেমন বাঘাইছড়ি, দিঘিনালায় স্কুল বা কলেজ পড়ুয়া অসংখ্য ছাত্র ছাত্রীদের দেখতে পেয়েছি তবে তাদের মধ্যে মেয়েদের সংখ্যাই ছিল অধিক।
অন্য কোন এক দিন বিশেষ এক হাসপাতালে সদ্য নিয়োগ প্রাপ্ত যুব বয়সের দু'জন ডাক্তার নিপা চাকমা ও শিপলা মারমার দেখা পেয়েছিলাম। ওরা এই এলাকারই মেয়ে।
আমার মনে পড়েছিল দুই অথবা তিন বছর আগে আমি যখন এই এলাকাতে ছিলাম তখন এখানকার গুটিকতক বন্ধুদের একজন আমাকে বলেছিল এখানকার সাধারণ মানুষেরা বিশেষকরে শিক্ষা সম্পর্কে আগের তুলনায় এখন অনেক বেশি সচেতন। বিশেষকরে মায়েরা তাদের ছেলে মেয়েদের উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে খুবই আগ্রহী এবং এজন্য যতটা ত্যাগ স্বীকার করা প্রয়োজন তার জন্য সব সময় প্রস্তুত।
এ কারণেই দেশের অন্যান্য অঞ্চল থেকে আসা মানুষের চোখে এখন এখানকার একটি ভিন্ন চিত্র ফুটে উঠবে। অর্থাৎ মায়েরা যখন ক্ষেতে খামারে চাষাবাদে অথবা পাহাড়ের তলদেশের প্রাকৃতিক কোন উৎস থেকে জল সংগ্রহে ব্যস্ত থাকে তখন তাদের ছেলে মেয়েরা স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বা বাড়ি ঘরে লেখা পড়ায় ব্যস্ত সময় পার করে।
---------------------
কে সি মিলান
কুতুপালং বাজার, উখিয়া, কক্সবাজার, বাংলাদেশ
০৭ ডিসেম্বর ২০১৭
<><><><><><>




